Welcome to the World of Sujit Sahoo

Welcome to the World of Sujit Sahoo

Menu

সুজিত সাহু

সুজিত সাহু

সুজিত সাহু

পরিচিতি

আসলে আমার আমিকে নিয়ে দু-চার কথা লিখতে গিয়ে প্রথমেই মনে হয় নিজের সমন্ধে কিছু বলার নেই । আমি অতি সাধারণ একজন মানুষ। কিন্তু সাধারণের ভিড়ে নিজের অসাধারণত্বকে খুঁজে পাওয়াই আমার জীবনের উদ্দেশ্য মনে করি। কবির ভাষায় বলি আমি আমার আমিকে এই বাংলায় খুঁজে পাই, বাংলা আমার জীবনানন্দ বাংলা প্রাণের সুর। বাংলা আমার আত্মার শান্তি, বেঁচে থাকার প্রেরণা।

পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দদায়ক এবং কষ্টদায়ক কাজগুলোর একটি হল নিজের সম্বন্ধে লেখা। কাজেই বোঝা যায় মিথ্যা আর তোষামোদে ভরপুর। অনেক দিন অপেক্ষা করেছি এই অংশটা লেখার জন্য।কিন্তু লেখা হয়ে ওঠেনি ,পাছে লোকজন হাঁসাহাঁসি করে। আমাদের আশেপাশের লোকজন খুবই যন্ত্রণাদায়ক।একটা মানুষকে তারা ভালবাসবে সেটা যে কারণেই হোক কিন্তু কোনদিন বুঝতে দেবে না।খালি এখানেই শেষ না, ভালোবাসার আবেশকে ভুলিয়ে সবসময় যতটা ছোট করা যায় কতটা নামানো এই প্রচেষ্টায় রত অধিকাংশ মানুষ এবং তা আজ স্বাভাবিক সত্ত্যায় পরিণত।


জন্ম:-

আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গের অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার সুবর্ণরেখা নদীর পাড়ের এক প্রত্যন্ত গ্রাম রাউতারাপুরে ১৩৯৭ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে রথযাত্রার দিন । যেখানে না ছিল বিদ্যুৎ না ছিল আধুনিক জীবনের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। হয়তো এর জন্যই ছোটবেলা থেকে প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কে বেড়ে ওঠা যা পরবর্তীকালে মানসিকতায় অনেক পরিবর্তন এনেছে। আমার বাবা এবং মা দুজনেই স্কুল শিক্ষক , ছোটবেলা থেকেই মায়ের সাহচর্যে প্রাথমিক শিক্ষার হাতেখড়ি।


স্কুল জীবন:-

বয়স বাড়ার সাথে আমি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। বিদ্যালয়ের নাম ছিল মুল রাউতারাপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছোটবেলা থেকেই ছাত্র হিসাবে খারাপ ছিলাম না। ২০০০ সালে চতুর্থ শ্রেণী পাশ করার পার পাশের গ্রাম অন্ত্রীতে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। বিদ্যালয়ের নাম ছিল অন্ত্রী স্বামী বিবেকানন্দ আদিবাসী মাধ্যমিক বিদ্যালয়। যদিও পরে বিদ্যালয়টি উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নীত হয়েছিল। এই বিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে মাধ্যমিকে প্রথম বিভাগে পাশ করার পর বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার জন্য বাড়ি থেকে ২০ কিমি দূরে বেলদাতে বেলদা গঙ্গাধর একাডেমিতে ভর্তি হই। বাড়ি থেকে দূরে এটাই আমার প্রথম থাকা খুব খারাপ লেগেছিলো সেদিন, তবে হোস্টেলের জীবন আমাকে জীবনে অনেক কিছু শিখিয়েছে। বেলদা থেকে ২০০৮ সালে উচ্চ মাধ্যমিকে A+ গ্রেড নিয়ে পাশ করি।


কলেজ জীবন:-

২০০৮ সালে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পাশ করে টেকনো ইন্ডিয়ার নেতাজি সুভাষ কলেজে ভর্তি হই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়ার জন্য। কলেজ জীবনে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে মনের মনিকোঠায় কিন্তু সবকিছু লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ২০১২ সালে A গ্রেডে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করি।


কর্মজীবন:-

২০১২ সালে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশের পর টাটা কন্সালটেন্সি সার্ভিসেস এ যোগদান করি। যা ভারতের সবথেকে বড় সফটওয়্যার রপ্তানি করা একটি প্রতিষ্ঠান। টাটাতে ট্রেনিং এর জন্য ২০১২ সালের শেষের তিন মাস গুজরাটের গান্ধীনগরে ছিলাম তারপর থেকে ২০১৪ সালের শেষ পর্যন্ত বাণিজ্যনগরী মুম্বাইতে ছিলাম। এরপর আমার নিজের শহর কলকাতাতে ফিরে আসি। ২০১৫ থেকে কলকাতাতেই কর্মরত।



শখ :-

ছোটবেলা থেকেই বাংলায় ছোটখাটো লেখালেখি করতাম কিন্তু সেভাবে কিছু হয়ে ওঠেনি। আজও তেমন পেরেছি কিনা জানিনা। তবুও নিজের মাঝে নিজেকে খুঁজে পাওয়ার এক ক্ষুদ্র চেষ্টা মাত্র।লেখালেখি ছাড়া ছবি তুলতে ভালোবাসি সময় পেলেই ক্যামেরা নিয়ে বেরিয়ে পড়ি প্রকৃতিকে নতুন করে খুঁজে পেতে  , নতুন নতুন জায়গায় ঘুরতে ভালোবাসি।


জীবনদর্শন:-

আমি জন্মগত এবং উত্তরাধিকার সূত্রে একজন হিন্দু। আমি গর্ববোধ করি একজন হিন্দু হিসেবে , পৃথিবীর অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ ধর্ম। আমি কোন ধর্মের বিরুদ্ধে নয় প্রত্যেকের অধিকার রয়েছে নিজের নিজের মত প্রকাশের এবং প্রত্যেকে নিজের নিজের জায়গায় ঠিক।  কিন্তু বর্তমান সামাজিক পরিস্থিতিতে একটা জিনিস মাথায় আসছে তা হলো পৃথিবীতে মহানতম ধর্ম বলে যদি কিছু থেকে থাকে তা হলো মানবধর্ম। আমি মনেপ্রাণে এই নীতিতে বিশ্বাস করি। কবির ভাষায়


কোরান-পুরাণ-বেদ-বেদান্ত-বাইবেল-ত্রিপিটক-
জেন্দাবেস্তা-গ্রন্থসাহেব প’ড়ে যাও, য্ত সখ-
কিন্তু, কেন এ পন্ডশ্রম, মগজে হানিছ শূল?
দোকানে কেন এ দর কষাকষি? -পথে ফুটে তাজা ফুল!
তোমাতে রয়েছে সকল কেতাব সকল কালের জ্ঞান,
সকল শাস্র খুঁজে পাবে সখা, খুলে দেখ নিজ প্রাণ!
তোমাতে রয়েছে সকল ধর্ম, সকল যুগাবতার,
তোমার হৃষয় বিশ্ব-দেউল সকল দেবতার।




উপসংহার :-

প্রথমেই বলেছিলাম নিজের সম্পর্কে লেখাটা সত্যি খুব কঠিন। কিন্তু যতটা পেরেছি সঠিক ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি জানিনা পেরেছি কিনা।  যারা এটা পড়বে তারাই বলতে পারবে। উত্তরের আশায় রইলাম।

X
This site uses cookies to offer you a better browsing experience.
You can accept them all, or choose the kinds of cookies you are happy to allow.
Privacy settings
Choose which cookies you wish to allow while you browse this website. Please note that some cookies cannot be turned off, because without them the website would not function.
Essential
To prevent spam this site uses Google Recaptcha in its contact forms.

This site may also use cookies for ecommerce and payment systems which are essential for the website to function properly.
Google Services
This site uses cookies from Google to access data such as the pages you visit and your IP address. Google services on this website may include:

- Google Maps
Data Driven
This site may use cookies to record visitor behavior, monitor ad conversions, and create audiences, including from:

- Google Analytics
- Google Ads conversion tracking
- Facebook (Meta Pixel)